সাবহানাজ রশীদ দিয়ার যত গুণ

সাবহানাজ রশীদ দিয়ার যত গুণ
  © ফাইল ফটো

সাবহানাজ রশীদ দিয়া। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ফেসবুকের বাংলাদেশ অ্যাফেয়ার্স অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। শিক্ষাজীবনে রাজধানীর ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি) থেকে স্নাতক সম্পন্নের পর স্কলারশিপ নিয়ে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায়। সেখান থেকে পাবলিক পলিসি, ডাটা সায়েন্স ও প্রযুক্তিবিজ্ঞানে ডিগ্রি লাভ করেন।

গত সপ্তাহে সিঙ্গাপুরে ফেসবুকের আঞ্চলিক সদর দপ্তরের এক এক অনলাইন বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের দিয়াকে পরিচয় করিয়ে দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

প্রযুক্তি, বৈশ্বিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক নীতিমালা নিয়ে কাজ করা দিয়া একজন কম্পিউটেশনাল সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট। লিখেছেন দুটি বই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাজ করার আগে সরব ছিলেন গণমাধ্যমেও। দেশের প্রথম সারির একটি ইংরেজি দৈনিকে সহ-সম্পাদক ও কলামিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন এক যুগেরও বেশি সময়। তার লেখা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের নামি গণমাধ্যমেও।

জোন্টা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর ইয়ং উইমেন ইন পাবলিক অ্যাফেয়ার্স, ইয়ুথ অ্যাকশন নেট লরিয়েট গ্লোবাল ফেলো, ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড অ্যাম্বাসাডর টু বাংলাদেশ, অশোকা ফেলো, দ্য এশিয়া ২১ ইয়ং লিডার এবং ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট ইয়ং লিডার ইন পলিটিকস অ্যান্ড নিউ মিডিয়াসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা রয়েছে দিয়ার ঝুলিতে। এ ছাড়া ২০১০ সালে আলোকচিত্রী হিসেবে লাভ করেছিলেন মেমোরি অব আলেক্সান্ড্রা বুলাটের ফাউন্ড্রি ফটোজার্নালিজম স্কলারশিপ। দেশের প্রথম স্টার্টআপ হ্যাকাথন ও প্রতিযোগিতাগুলো আয়োজনের মাধ্যমে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন সফল এ নারী।

দিয়ার ‘ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন’

২০০৬ সালে তরুণদের জন্য জনসেবা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন গড়ে তোলেন দিয়া। এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সুবিধা পায় ১২ লক্ষাধিক মানুষ, যার ৬৫ শতাংশই নারী। রানা প্লাজা ধসের ঘটনার সময়ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহযোগিতায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন। ২০১৪ সালে ‘ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন’ জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয়ান ও লাতিন আমেরিকান সাত নারী রাষ্ট্রদূতের সম্মাননা পান।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ