১৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:২০

একই প্লাটফর্মে আসছে পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়

  © টিডিসি ফটো

২০২১ সালের মধ্যে দেশের পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবাগুলো একটি নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে (সফটওয়্যার) নিয়ে আসার লক্ষে রাজধানীর গণপূর্ত ভবনের অডিটোরিয়ামে শুরু হয়েছে ছয় দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল সার্ভিস ডিজাইন ল্যাব’।

বৃহস্পতিবার (১৬ জনুয়ারি) ছয় দিনব্যাপী এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়। ডিজিটাল সার্ভিস এক্সিলারেটর, এটুআই ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এ কর্মশালার আয়োজন করে।

এ কর্মশালার মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালসমূহে ইউনিফর্মড ইউনিভার্সিটি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ও ইন্টিগ্রেটেড ইউনিভার্সিটি ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট প্লাটফর্ম গঠন করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে এ সফটওয়্যারটি দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস ও মো. আব্দুল্লাহ আল হাসান চৌধুরী। ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন এ টু আই এর ফরহাদ জাহিদ শেখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউল আলম বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিফর্মড ইউনিভার্সিটি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ও ইন্টিগ্রেটেড ইউনিভার্সিটি ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট প্লাটফম তৈরির জন্য এ উদ্যোগ গ্রহণকে সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও সেবার মান উন্নত হবে এবং সেখানে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে ওঠবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এর স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে। তিনি ডিজিটাল প্রযুক্তি সকল ক্ষেত্রে নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ডিজিটাল সার্ভিস ডিজাইন ল্যাব’ এর মাধ্যমে সুন্দর একটি ব্যবস্থা তৈরি হবে। কিছু নতুন বিষয় যুক্ত হবে। এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে সেবাসমূহে ইনোভেশন আনা প্রয়োজহন। এ কর্মশালার মাধ্যম বিশ্ববিদ্যলয়ে ইন্টিগ্রেটডে সিস্টেম তৈরি করা হবে। এ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। প্রতিযোগতামূলক বিশ্বে আমাদের স্নাতকরা ভালো করবে।

তিনি আরও বলেন, এ সফটওয়্যার এর ফলে জাতীয় পর্যায়ে একটি ডাটাবেজ, এআই বেইজড স্মার্ট এনালিটিক্স তৈরি, ডিজিটাল ডিভাইসের বিভাজন হ্রাস, কেন্দ্রীয় তথ্য গেটওয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে একটি অভিন্ন নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠবে।

অনুষ্ঠানে দেশের ৩৬ টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসি’র পদস্থ কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।