জানবিবিতে চান্স পাওয়া এত সহজ!

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংক্ষেপে জানবিবি। সংক্ষিপ্ত নামের মতই এই ক্যাম্পাসে ভর্তির পদ্ধতি ও সুযোগ অনেক প্রাঞ্জল। যদি তোমার লক্ষ্য থাকে অটুট তবে একটুখানি কৌশলী হলেই পেয়ে যেতে পারো তোমার কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন। হয়ে যেত পারো নয়নাভিরাম সবুজ প্রকৃতি, লাল পদ্ম অতিথি পাখিদের মেজবান। সবুজ ক্যাম্পাসে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন মনের ভিতর লালন করলে লেখাটি তোমার জন্য—

প্রথমত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এখানেও ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রিক সকল কর্মতৎপরতা ভর্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির হাতে ন্যাস্ত। প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রেসারদের কিভাবে যাচাই বাছাই করা হবে, কোন ইউনিটে কত মার্ক, লিখিত না এমসিকিউ হবে এই বিষয়গুলো দেখভালের কাজ করে থাকে উক্ত কমিটি।

গতানুগতিকভাবে চলমান ভর্তি পরীক্ষার নিয়মে কর্তৃপক্ষ নতুন কোন পরিবর্তনের ব্যাপারে এখনো কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই এই বছর আর নতুন কোন সিদ্ধান্ত না নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশী। যদিও চলতি বছর এখনো ভর্তি পরীক্ষা কমিটি তার কার্যকাল শুরু করেনি, তবে খুব শীঘ্রই কমিটির কার্যক্রম শুরু হবে এবং বিগত কয়েক বছরের মতোই ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি বহাল থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষার ইউনিট সমূহ এবং বিষয় বন্টন: জাবিতে বিষয়গুলি মোট ১০ টা ইউনিটে সুবিন্যস্ত । ইউনিট গুলি হলো A, B, C, C1, D, E, F, G, H, I এই মোট ১০ টা ইউনিট।

বিষয়ভিত্তিক ইউনিটসমূহের নাম ও বিন্যাস:
A Unit বা গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ- কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, রসায়ন বিভাগ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, গণিত বিভাগ, পরিসংখ্যান বিভাগ, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগ।
B Unit বা সমাজবিজ্ঞান অনুষদ- অর্থনীতি বিভাগ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ভুগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, নৃবিজ্ঞান বিভাগ।
C Unit বা কলা ও মানবিকী অনুষদ - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, প্রত্নতত্ত্ব, বাংলা, জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ।
C1 Unit বা কলা ও মানবিকী অনুষদ- নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, চারুকলা বিভাগ।
D Unit বা জীববিজ্ঞান অনুষদ- ফার্মেসী বিভাগ, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ,বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারি বিভাগ, পাবলিক হেলথ্ এন্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ।
E Unit বা ব্যবসায় অনুষদ (BBA)- ফিন্যান্স & ব্যাংকিং বিভাগ, মার্কেটিং বিভাগ, একাউন্টিং & ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ।
F Unit বা আইন অনুষদ- Law & Justice
G Unit বা ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন (IBA)-IBA
H Unit বা Institute of Information Technology (IIT)- IIT
I ইউনিট- বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সব ইউনিটেই পরীক্ষা দেয়া যায়। কিন্তু ব্যবসায় শিক্ষা/মানবিক বিভাগ থেকে B, C, C1, E, F, G, I সহ মাত্র সাতটি ইউনিটে পরীক্ষা দেওয়া যায়। A, B, C, C1, D ইউনিটে বিষয় প্রাপ্তির যোগ্যতা না মিললেও SSC & HSC এর মোট পয়েন্ট মিললেই আবেদন করা যাবে। কিন্তু E, F, G, H, I ইউনিটে আবেদন করতে হলে SSC & HSC এর মোট পয়েন্ট মেলার সাথে সাথে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতাও মিলতে হবে। মানে E, F, G, H ইউনিটে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা না মিললে আবেদন করা যাবে না। এছাড়াও বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা না থাকলে ভর্তি পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেও আপনার কাঙ্ক্ষিত ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হতে পারবেননা। উদাহরণস্বরুপ তুমি D ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন কিন্তু ফার্মেসী পেতে বিষয়ভিত্তিক যা যা শর্ত লাগে সেগুলো তোমার নাই সুতরাং তুমি আর ফার্মেসী পাবে না।

ভর্তি পরীক্ষার ইউনিটভিত্তিক নম্বরবন্টন:
এ ইউনিট- গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় গণিতে ২২, পদার্থবিজ্ঞানে ২২, রসায়নে ২২, বাংলায় ৩, ইংরেজিতে ৩ এবং বুদ্ধিমত্তা (বিজ্ঞান বিষয়ক) ৮ নম্বর থাকবে।
বি ইউনিট- সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ১৫, গণিতে ১৫, সাধারণ জ্ঞানে ২৫, এবং বুদ্ধিমত্তায় ১৫ নম্বর থাকবে।
সি ইউনিট- কলা ও মানবিক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ১৫, ইংরেজি ১৫, এবং অনুষদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ক ৭০ নম্বর থাকবে। এই অনুষদের বাংলা ও ইংরেজি ছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলো হলো- ইতিহাস, দর্শন, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রত্নতত্ত্ব সাংবাদিকতা এবং চারুকলা।

ডি ইউনিট- জীববিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজিতে ৮, রসায়নে ২৪, উদ্ভিদ বিজ্ঞানে ২২, প্রাণিবিদ্যায় ২২ এবং বুদ্ধিমত্তায় ৪ নম্বর থাকবে।

ই ইউনিট- বিজনেস স্ট্যাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ৩০, গণিতে ৩০ এবং ব্যবসায় সম্পর্কিত সাধারণজ্ঞানে ১০ নম্বর থাকবে।

এফ ইউনিট- আইন অনুষদ ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ২৫, ইংরেজিতে ২৫ এবং সাম্প্রতিক বিষয় ও বুদ্ধিমত্তায় ৩০ নম্বর থাকবে।

এইচ ইউনিট- ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ৫, ইংরেজিতে ১৫, গণিতে ৪০ এবং পদার্থবিজ্ঞানে ২০ নম্বর থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে এবং ওএমআর পদ্ধতিতে উত্তর মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০. ২০ (শূন্য দশমিক দুই শূন্য) নম্বর কাটা যাবে। সি এবং জি ইউনিট ব্যতীত অন্য সকল ইউনিটে ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় ৫৫ মিনিট। সি ইউনিটে মোট ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় ৬৫ মিনিট। এই ইউনিটে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ এবং চারুকলা বিভাগের জন্য ২০ নম্বরের ব্যবহারিক পরীক্ষা পরবর্তী সময়ে নেওয়া হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষার পাশ নম্বর ৪০%। জি ইউনিটের ৭৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় ৫৫ মিনিট। ৫ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা পরবর্তী সময়ে নেওয়া হবে। প্রত্যেক পরীক্ষায় ওএমআর পূরণের জন্য আলাদাভাবে ৫ মিনিট সময় দেওয়া হবে।

সকল ইউনিটের লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর নূন্যতম ৩৩ শতাংশ। সি ইউনিটে (বাংলা ও ইংরেজি বিভাগ ব্যাতিত) উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে ৩০ নম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ১০ নম্বর পেতে হবে। সি ইউনিটে উত্তীর্ণদের বাংলা বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য বাংলা বিষয়ে ১৫ নম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ৮ নম্বর এবং ইংরেজি বিভাগে ভর্তির জন্য ইংরেজিতে ১৫ নম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ১০ নম্বর পেতে হবে।
সি ইউনিটে উত্তীর্ণদের মধ্যে যারা প্রশ্নের ৮১ থেকে ১০০ ক্রমিক নম্বর প্রশ্নের উত্তরের জন্য ২০ নম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ৭ পাবে তারাই নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগে ব্যবহারিক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামীর ‘রাখাল' নির্বাচন : লিখিত পরীক্ষার মোট প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের উপর প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে মোট সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিট/ বিভাগের আসন সংখ্যার সর্বাধিক ১০ (দশ) গুণ ছাত্র-ছাত্রীর পৃথক তালিকা অনুযায়ী মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে। জি ইউনিট ও সি ইউনিট ভুক্ত নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগের চূড়ান্ত মেধাক্রম মৌখিক/ ব্যবহারিক পরীক্ষার পরে প্রকাশ করা হবে। গ্রেডিং পদ্ধতিতে উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীর মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএকে ১.৫ দ্বারা গুণ করে এবং উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএকে ২.৫ দ্বারা গুণ করে ফলাফল তৈরি করা হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ০ লেভেল এবং এ লেভেল ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে এ গ্রেডের জন্য ৫, বি গ্রেডের জন্য ৪, সি গ্রেডের জন্য ৩.৫ এবং ডি গ্রেডের জন্য ৩ পয়েন্ট গণ্য করা হবে। এবং সর্বশেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ভর্তির সময় তোমাদের মূল সনদ পত্র, একাডেমি ট্রান্সক্রিপ্ট, ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র, ছাত্র-ছাত্রীদের আপলোড করা ছবি, স্বাক্ষর, হাতের লেখা ইত্যাদি নির্ধারিত দিনে মৌখিক পরীক্ষার সময় যাচাই করা হবে।

জাহাঙ্গীরনগর ভর্তি যুদ্ধের ‘ডি ফ্যাক্টর’ শিফট পদ্ধতি: বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ক্যাম্পাসের নিজস্ব বিল্ডিং এ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাবির মতো শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজে নয়। সুতরাং এত ছাত্রছাত্রীর একসাথে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে জাবি কর্তৃপক্ষ কিছুটা বৈচিত্র্য এনেছে। শিফট পদ্ধতি। হ্যাঁ অত্যন্ত রোমাঞ্চিত ব্যাপার যা অনেক শিক্ষার্থীর কাছে একটি বৈধ সুযোগ সৃষ্টি করে।

মনে করো, এবার ডি ইউনিটে মোট ৭০ হাজার ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিবে। এই সংখ্যাকে মোট ৭ টি গ্রুপে ভাগ করা হবে।। গ্রুপ ১ এর পরীক্ষা হবে সকাল ৯ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত। গ্রুপ ২ এর পরীক্ষা হবে সকাল ১০টা ২০ মিনিট থেকে ১১টা ২০মিনিট পর্যন্ত। এভাবে ২০ মিনিট বিরতিতে ৭ টা গ্রুপেরি সারাদিন মিলে পরীক্ষা হবে। প্রতি গ্রুপের প্রশ্নপত্র আলাদা। আবার একি গ্রুপে ৪ সেট প্রশ্ন থাকবে। মানে একি গ্রুপে প্রশ্ন সবার একি বাট নাম্বারিং আলাদা যাতে পাশে থেকে কেউ কারো দেখতে না পারে। আর বিভিন্ন গ্রুপের প্রশ্ন ভিন্ন। মানে ৯-১০ টায় যারা পরীক্ষা দিবে তাদের প্রশ্ন একরকম। আবার ১০টা ২০ মিনিট থেকে১১টা ২০মিনিট পর্যন্ত যারা পরীক্ষা দিবে তাদের প্রশ্ন ভিন্ন।

এখন অনেকে হয়তো ভাবছো ভাইয়া যারা ৯টা থেকে ১০ টায় পরীক্ষা দিবে তাদের প্রশ্ন যদি সহজ হয় আর যারা ১০ টা ২০ মিনিট থেকে ১১টা ২০ মিনিট পরীক্ষা দিবে তাদের প্রশ্ন যদি কঠিন হয় তাহলে তো হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। আসলে এরকম কোন কিছু হওয়ার অবকাশ নেই। কারন জাহাঙ্গীরনগর এত বোকা না যে এই কাজ করবে। তারা এমনভাবে প্রশ্ন তৈরি করবে যাতে সব প্রশ্নের মান একি হয়। যেমন, ৯ থেকে ১০ টায় যারা পরীক্ষা দিবে তাদের যদি আসে যে, রাইবোজোম কে আবিস্কার করেন। তাহলে ১০ টা ২০ মিনিট থেকে ১১টা ২০ মিনিটে যারা পরীক্ষা দিবে তাদের আসবে নিউক্লিয়াস কে আবিস্কার করেন। মানে প্রশ্নের মান একি রাখার চেষ্টা করবে বিশ্ববিদ্যালয়।

এবার বলি কাজের কথা। যদি বুদ্ধিমান হও তাহলে বুঝে গেছ জাহাঙ্গীরনগরের প্রতিটা সিফট এর প্রশ্ন ভিন্ন হয় বাট প্রশ্নের মান একই থাকে। তাই যদিও জাহাঙ্গীরনগর পরীক্ষা শেষে প্রশ্ন জমা নিয়ে নেয়। তাই তোমার কাজ হবে তোমার যেই বন্ধুর পরীক্ষা সকালের সিফট এ তারে ম্যানেজ করা। তোমার বন্ধু পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়া মাত্র তারে জিজ্ঞাসা করবেন তার প্রশ্নে কি কি প্রশ্ন এসেছিলো। মুখে মুখেই যতটুকু মনে থাকে সেগুলোর মতো একই ধাচের প্রশ্ন বইয়ে খুজে বের করো। (প্রস্তুতির পরামর্শ নিয়ে থাকছে আগামী পর্বে

লেখক: শিক্ষার্থী, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ