কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স বন্ধের দাবি

  © সংগৃহীত

কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের মেডিক্যাল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স বন্ধের দাবি জানিয়েছে বেকার এন্ড প্রাইভেট সার্ভিসেস মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট এসোসিয়েশন। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স পরিচালনা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সুপারিশ এবং সুপ্রিমকোর্টের আদেশ মোতাবেক কারিগরি শিক্ষাবোর্ড পরিচালিত মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স বন্ধ সহ ৫ দফা দাবি অবিলম্বে বাস্তবায়নের আহবান জানিয়েছে বেকার এন্ড প্রাইভেট সার্ভিসেস মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট এসোসিয়েশন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স বন্ধকরনের লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড আইনের সংশোধনের সুপারিশ অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সুপারিশ এবং সুপ্রিমকোর্টের আদেশ দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে সারাদেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ও নার্সরা কর্মবিরতির মতো বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

বক্তারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা বেকার মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট এবং নার্সদের সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ প্রদান, নতুন পদ সৃষ্টি, স্বাস্থ্য বিভাগীয় নন-মেডিকেল কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-২০১৮ সংশোধন, ডিপ্লোমা মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড গঠন ও মেডিকেল টেকনোলজি কোর্স পূর্বের ন্যায় ৪ বছরে বহাল, মেডিকেল টেকনোলজিষ্টদের দশম গ্রেডে উন্নিতকরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।

গতকাল বেকার এন্ড প্রাইভেট সার্ভিসেস মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট এসোসিয়েশন এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি থেকে আগত মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ও ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মো. শফিকুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নেতা আলমাছ আলী খান, জহিরুল ইসলাম সরকার, শাহ আলম খান পারভেজ, বিপ্লবুজ্জামান, সেলিম মোল্লা ও সিরাজুল ইসলাম, ছাত্র প্রতিধি রাজিবুল হাসান রাজা, জান্নাতুল মাওয়া সুইটি। নার্সেস নেতাদের মধ্যে আসাদুজ্জামান জুয়েল, রাকিব হোসেন, নাছিমুল হক, মামুন হোসেন, ফারুক হোসেন, শেখ সাদি, শাকিল উদ্দিন, আব্দুল জলিল এবং রিপন সরকার পল্লব প্রমুখ।

 

 


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ