চীনে উচ্চশিক্ষা নিতে সহায়তা দিবে সিসিএন

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এমনকি উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পার করা অধিকাংশ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে গিয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার স্বপ্ন থাকে। বেশিরভাগ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পছন্দ তালিকার শীর্ষে আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ রয়েছে। বিদেশে  উচ্চশিক্ষা নেওয়ার স্বপ্ন দেখা বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সুখবর নিয়ে এসেছে চায়না ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক (সিসিএন)।

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা) ও চায়না ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক (সিসিএন) এর মধ্যকার এক মতবিনিময় সভায় সিসিএনের বিভিন্ন দায়িত্বশীল তাদের লক্ষ্য ও কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এসময় চীনে উচ্চশিক্ষা নিতে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সহায়তার বিষয়টি জানায় সংগঠনটি।

এছাড়া বাংলাদেশে বেকার সমস্যা দূর করা এবং চীনসহ বিশ্বের উন্নত দেশে কর্মক্ষম দক্ষ ও পারদর্শী জনশক্তি গড়ে তোলার ব্যাপারে সিসিএন কাজ করছে বলেও জানান বক্তারা।

মতবিনিময় সভায় চায়না ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক (সিসিএন) চেয়ারম্যান কাজী মোয়াজ্জেম হোসাইন, বাংলাদেশে সিসিএনের পরিচালক মোহন দেওয়ান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট সহযোগী অধ্যাপক মো. আফজাল হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রায়হানুল ইসলাম আবির ও সাধারণ সম্পাদক মাহদী আল মুহতাসিম (নিবিড়) সহ সমিতির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় সিসিএন দায়িত্বশীল বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের চীনা ভাষা শিখার সুযোগ-সুবিধা এবং চীনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে বিভিন্ন কার্যক্রম ও সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন।

বক্তারা জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাশ করা শিক্ষার্থীরা চাইলে চীন থেকে স্বল্প খরচে স্নাতকোত্তর, পিএইচডি কোনো শিক্ষার্থী চাইলে পুনরায় স্নাতক পড়তে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে তাদের চীনা ভাষা জানা জরুরি। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধীন চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার (সিএলসি) থেকে দুই বছর মেয়াদি কোর্স করাটা উত্তম বলে জানান আফজাল হোসাইন।

শুধু উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেও চীন থেকে উচ্চ শিক্ষা নেওয়া যাবে বলে জানান সিসিএন দায়িত্বশীলরা। চীনে উচ্চ শিক্ষা নিতে একজন শিক্ষার্থীর প্রায় ছয় লক্ষ টাকার মতো খরচ হতে পারে বলে জানান তারা।

সিসিএনের দায়িত্বশীলরা জানান, চীনে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রসেসিং, ভর্তি প্রক্রিয়া সহ বিভিন্ন স্কলারশিপ পেতে সার্ভিস চার্জ ছাড়াই সিসিএন শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করে।

মতবিনিময় সভায় সিসিএনের দায়িত্বশীলরা আরও জানান, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের মতো চীনের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্রও নির্মাণ করা হবে। আর এজন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সহযোগিতা কামনা করেন তারা। মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সিসিএনের অগ্রগতি কামনা করেন এবং সবসময় সিসিএনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ