ফাইনালের পথে রোড টু লর্ডস

বিশ্বকাপ জয়ের মিশনে আজ রবিবার লর্ডসে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। এ ম্যাচে যে দলই জিতুক না কেন ক্রিকেট বিশ্ব পেতে যাচ্ছে এক নতুন চ্যাম্পিয়ন। অনেক চড়াই উতরাই পাড়ি দিয়ে এ দু’দল পৌঁছেছে ফাইনালে। এমনকি টুর্নামেন্টের মাঝপথে দু’দলেরই ছিল বাদ পড়ে যাওয়ার শংকা।

গত আসরের ফাইনালিস্ট নিউজিল্যান্ডকে এ আসরে ধরা হচ্ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম ব্লাক হর্স হিসেবে। টুর্নামেন্টে শুরুটাও দারুণ করে কিউইরা। গ্রুপ পর্বে টানা পাঁচ ম্যাচ জেতে তারা। ভারতের সাথে তাদের ম্যাচটি হয় পরিত্যক্ত। পরের তিনটি ম্যাচ অষ্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের কাছে হেরে দুলতে থাকে কিউইদের সেমি ভাগ্য। গ্রুপ পর্বে পাঁচ জয়, তিন হার ও এক পরিত্যাক্ত ম্যাচে মোট ১১ পয়েন্ট নিয়ে নীট রান রেটের কল্যাণে পাকিস্তানকে টপকে শেষ চারে জায়গা করে নেয় কেন উইলিয়ামসনের দল। কিউইদের যে কেন ব্লাক হর্স বলা হয় তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে কোহলীর টিম ইন্ডিয়া। আসরের প্রথম সেমিফাইনালে এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে বোলারদের কল্যাণে অন্যতম ফেভারিট ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ গুড়িয়ে ১৮ রানের জয় নিয়ে লর্ডস যাত্রা নিশ্চিত করে দলটি।

আসর শুরুর আগেই ফেভারিটের তকমা নিয়ে মাঠে নেমেছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ড। এমনকি সাউথ আফ্রিকার সাথে বড় জয়ের পর সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন টুইট করে বলেছিলেন, যেন ট্রফিটা তাদেরকে আগেই দিয়ে দেওয়া হয়। তবে মুদ্রার উল্টোদিক দেখতে খুব একটা বেশী সময় লাগেনি স্বাগতিকদের। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার কাছে অঘটনের শিকার হয়ে এবং অজিদের কাছে হেরে এক প্রকার বাদ পড়ে যাওয়ার শংকায় পড়েছিল ইংল্যান্ড। তবে শেষ দুই ম্যাচে শক্তিশালী ভারত ও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সে শঙ্কা উড়িয়ে দেয় মরগ্যানের দল।গ্রুপ পর্বের নয় ম্যাচের ছয়টিতে জিতে টেবিলের তৃতীয় স্থানে থেকে শেষ চার নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অষ্ট্রেলিয়াকে আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েই দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট কাটে স্বাগতিকরা।


মন্তব্য