করোনা ভাইরাস

চবির পর রাবি ও ইবিতে সভা-সমাবেশ স্থগিত

  © টিডিসি ফটো

সম্প্রতি করোনা ভাইরাস বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই বাড়তি সতর্কতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) সকল প্রকার র‍্যাগ ডে, নবীন বরণ, সভা-সমাবেশ, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কর্মসূচি সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। চবির পর একই নির্দেশনা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১১ মার্চ) চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে এম নূর আহমেদ স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এদিকে, বৃহস্পতিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে সাময়িকভাবে সভা-সমাবেশ স্থগিত করার নির্দেশনা দিয়েছে।

চবির গৃহীত উদ্যোগের মধ্যে আরও আছে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নালা-নর্দমা, বিভিন্ন হলের ক্যান্টিন, কমন রুম, ডাইনিং হল সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। প্রত্যেক বিভাগ/ইন্সটিটিউটে দিনের প্রথম ক্লাস শুরুতে অন্তত ৫ মিনিট ‘করোনা ভাইরাস: সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক ব্রিফিং দেওয়া।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের ব্যাপারে প্রক্টর ও ভারপ্রাপ্ত ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘মুজিববর্ষ উদযাপন কমিটির বৈঠকে ক্যাম্পাসে জনসম্পৃক্ততামূলক অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই কার্যকর হবে।’

রাবি হল প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আলীম বলেন, ‘ছাত্রদের হলগুলোতে গণরুম না থাকলেও ছাত্রীদের হলে বেশ কয়েকটি গণরুম রয়েছে। এসব রুমে অনেক ছাত্রীকে একসঙ্গে থাকতে হয়। তাই নতুন করে সিট বন্টন না করে গণরুমে অবস্থান করা ছাত্রীদের দুই-একজন করে অন্য রুমে স্থানান্তর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (টিএসসিসি) পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান জানান, ১২ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত টিএসসির মিলনায়তনসহ ক্যাম্পাসে সবধরনের অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপাচার্য মহোদয়ের নির্দেশ অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, ‘আমরা করোনা ভাইরাসের প্রতিকার করতে পারব না তবে প্রতিরোধ করতে পারব। এই সমস্যার আশু প্রতিরোধে আমারা এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’


মন্তব্য