বিতর্ক এড়াতে ছাত্রদের সঙ্গে ছবি তুলতেন না ড. সাদিক

বিতর্ক এড়াতে ছাত্রদের সঙ্গে ছবি তুলতেন না ড. সাদিক

কাল বিদায় নিচ্ছেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক। ১৮ সেপ্টেম্বর তার বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হবে। সে হিসেবে একদিন আগে ১৭ সেপ্টেম্বর অবসরে যাচ্ছেন তিনি। ইতোমধ্যে অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইনকে নতুন চেয়ারম্যান করে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। 

বিদায়ের একদিন আগে আজ বুধবার ড. মোহাম্মদ সাদিকের সঙ্গে আলাপ করেছেন দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস প্রতিনিধি।  আলাপকালে তিনি পিএসসির সফলতা নিয়ে যেমন কথা বলেছেন, তেমনি তুলে ধরেছেন নিজের সীমাবদ্ধ জীবনের গল্পও।

তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আমি অনেক রেস্ট্রিকটেড জীবন-যাপন করেছি। এখন সেটি থেকে মুক্ত। দায়িত্বে থাকা অবস্থায় যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশন কিংবা অমর একুশে গ্রন্থ মেলায় যেতাম; সেখানে অনেক শিক্ষার্থী আমার সাথে ছবি তুলতে চাইত। তবে বিতর্ক যেন না হয় সেজন্য তখন ছবি তুলতে পারিনি। তবে এখন আর সেই বাধা নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘অবসর নিয়ে তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে নিজের মতো করে সময়টাকে উপভোগ করতে চাই। একটু লেখালেখিও করতে চাই। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে গবেষণার কাজেও নিজেকে সম্পৃক্ত করতে চাই।’

বিসিএসই দরকার’— তরুণদের এমন মনোভাব সম্পর্কে  জানতে চাইলে ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, আমাদের যে আর্থ সামাজিক পরিবেশ সে হিসেবে বিসিএস ক্যাডার অত্যন্ত লোভনীয় একটি চাকরি। কারণ, কেউ যদি ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন তাহলে তার পাশাপাশি তার পরিবারও অনেক খুশি হয়। তবে বিসিএসই সব না। তরুণদের উদ্দেশ্যে আমি একটি কথাই বলতে চাই; বিসিএসের চেয়ে জীবন অনেক বড়। জীবনে বিসিএসই সব কিছু নয়। কেউ যদি বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নাও হয় তবুও তার জন্য বিশাল পৃথিবী খোলা। সে অন্য কোথাও ভালো করতে পারে।


মন্তব্য