বিজিসিটিইউবিতে মেগা পাসিং আউট সিরেমনি কাল

কালচারাল প্রোগামের প্রস্তুতি
কালচারাল প্রোগামের প্রস্তুতি

বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে ( বিজিসিটিইউবি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গ্রাজুয়েশন পার্টি বা শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠান ‘মেগা পাসিং আউট সিরেমনি ২০১৯’। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা জীবন থেকে বিদায় নিচ্ছে ২০১৬-২০১৯ সেশনে পড়ুয়া সকল বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ। তাদের প্রাণের ক্যাম্পাস থেকে সেই বিদায়কে হাসিমুখে বরণ ও স্মৃতিময় করতে বিদায়ী ব্যাচের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ পোগ্রাম। এ প্রোগ্রামকে ঘিরে শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি চলছে ক্যাম্পাসে। উৎসব মুখর আমেজ বিরাজ করছে শিক্ষার্থীদের মাঝে।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে থাকবেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আ.ন.ম ইউসুফ চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. নারায়ন বৈদ্য, রেজিস্ট্রার এ.এফ.এম আখতারুজ্জামান কায়সার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার সালাহউদ্দিন শাহরিয়ার এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।

‘এই অবেলায়’ ‘হাসিমুখ’ আর ‘বন্ধ জানালা’ গানে মঞ্চ মাতাতে থাকবে জনপ্রিয় ব্যান্ড দল শিরোনামহীন। এছাড়াও থাকছে ব্যান্ড দল ব্ল্যাক রোস ও আরমান এন্ড ফ্রেন্ডস। ব্যান্ড পারফরম্যান্স বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় পত্র সাথে রাখা বাধ্যতামূলক এবং বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

আগামীকালকের অনুষ্ঠানে বিদায়ী ব্যাচের প্রায় ৪০০ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করবে। বিদায়ী ব্যাচ গুলো হল বিবিএ ২৭, সিএসই ২৬, এলএলবি ২২, ইংলিশ ২১ ও ফার্মেসী ২১।

পুরো দিন বিভিন্ন অনুষঙ্গ দিয়ে মাতিয়ে রাখবেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আয়োজনে থাকছে ব্লাড গ্রুপ টেস্ট ক্যাম্প্যাইন, সোশ্যাল ওয়ার্ক, স্কুলের বাচ্চাদের গিফট প্রদান, র‍্যালি, ডকুমেন্টারি, ফ্লাশমব, নাচ-গান, কালার ফেস্ট, ডিজে ইত্যাদি। বিদায়ী ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে টি-শার্ট ও লাঞ্চ।

বিদায়ী ব্যাচ এলএলবি ২২ এর শিক্ষার্থী সবুজ বড়ুয়া বলেন, ক্যাম্পাসে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা, ঘোরাঘুরি, ক্লাস অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে দৌড়াদৌড়ি এভাবে পার হয় জীবনের সব থেকে সেরা দিনগুলো। কখন যে সময় চলে যায় কেউ টেরই পায় না। চারটি বছর পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টুং করে বেজে ওঠে বিদায়ের ঘণ্টা। শিক্ষাজীবনের সেই মধুময় দিনগুলো বিদায়ী শিক্ষার্থীর পিছু ডাকে।

আর মধুময় দিনগুলোর স্মৃতি হৃদয়ের ফ্রেমে বেঁধে রাখতে, স্মরণীয় করে রাখতে আনন্দে, উচ্ছ্বাসে, স্লোগানে, রঙে-রূপে এক অপরূপ সাজে সজ্জিত হয়ে র‌্যাগ-ডে পালন করবে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা। সারাদিন শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের এ বিদায়ী অনুষ্ঠান পালন করে নাচ-গান আর হাসি-তামাশার মাধ্যমে। কিন্তু বাস্তবে র‌্যাগ-ডে যেমন আনন্দের দিন,ঠিক তেমনি বেদনার! প্রিয় ক্যাম্পাসের জন্য পিছুটান, সহপাঠীদের আবেগ ভালবাসা,সব মিলিয়ে শিক্ষকদের স্নেহ,শাসন, বারং এসব সবই বেদনার। বিদায় বেলায় হেসে যায়,ভালবাসায় ভেঙ্গে পড়ি একে অপরের অতীত স্মৃতি মনে করে। ভালবাসা সবার জন্য। আইন বিভাগের ২২তম ব্যাচের সকলকে খুব মিস করবো।

 


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ