১৩তম গ্রেড বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে প্রধান শিক্ষকরা

১৩তম গ্রেড বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে প্রধান শিক্ষকরা
  © টিডিসি ফটো

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩ম গ্রেড বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতাসহ বেশকিছু সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি।

শুক্রবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় বাংলাদেশ শিশু কল্যান পরিষদে আয়োজিত সংগঠনটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মো. বদরুল আলম মুকুল।

সভায় নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তসমুহ গৃহীত হয়-
* প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেল মামলার আপিল শুনানি অতি দ্রুত নিস্পত্তি করা।
* প্রধান শিক্ষকদের শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি যাতে যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পরীক্ষা পদ্ধতি ছাড়ায় হয় এবং বয়সের কোন সীমা/বার না থাকে সে বিষয়ে সচিব মহোদয়ের সাথে অতি দ্রুত সাক্ষাত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা।
* সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩ম গ্রেড যাতে উচ্চ ধাপে করা হয় সে বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা।
* বিদ্যালয়ের সময়সূচী মহানগরীর জন্য সকাল ৯-২টা এবং মহানগরীর বাইরে সকাল ১০-৩টা পর্যন্ত করার জন্য সচিব ও মহাপরিচালক মহোদয়ের সাথে আলোচনা করা।
* জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য আলোচনা সভা ও জাতির জনকের মাজার জেয়ারতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
* শিক্ষকদের দাবি আদায়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা।

সভায় বক্তব্য প্রদান করেন সমিতির মহাসচিব দেলোয়ার হোসেন কুসুম, আব্দুর রহমান, ইমরান ভূইয়া, জাকিরুল ইসলাম, মো. আইয়ুব, মাহবুব আলম, কাওসার আহমেদ, নাছিমা বিশ্বাস, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে (১১০০০-২৬৫৯০) উন্নীত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে সহকারী শিক্ষক পদের বেতনস্কেলে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকরা বেতন বৈষম্য নিরসনে আন্দোলন করে আসছিলেন। এমনকি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও বয়কটের হুমকি দিয়েছিলেন তারা। বেতন বৈষম্য নিরসনে গত ২৮ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তবে বেতন বাড়লেও এতে যে শর্তারোপ করা হয়েছে, তা নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কারণ শর্ত পূরণ করতে গেলে সব শিক্ষক নতুন বেতন স্কেল পাবেন না। এতে অনেকের মধ্যে সংশয়ও তৈরি হয়েছে বলে গেছে।


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ