প্রশাসনের ভুল ব্যাখ্যায় হয়রানির শিকার প্রাথমিকের শিক্ষকরা

২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ৬ বছর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতিক্রমে প্রধান ও সহকারি শিক্ষকরা টাইম স্কেলসহ আর্থিক সুবিধাদি সেবা নিলেও আইনের বিভিন্ন ভুল ব্যাখ্যা দ্বারা তাদের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে কিছু অসাধু প্রশাসন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ করে এসব হয়রানি বন্ধের জন্য দাবি জানান জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের পরও যদি জাতীকরণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের হয়রানির চেষ্টা চলে তাহলে আগামী ১২ জুন দেশের সকল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। তবুও যদি হয়রানি বন্ধ না হয় তাহলে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষক মহাসমাবেশের ঘোষণা দেয়া হবে।

মহাজোটের সমন্বয়ক মো. আমিনুল ইসলাম চৌধুরী লিখিত বক্তব্য উপস্থাপনের সময় বলেন, অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক বিধিমালা এস. আর. ও-নং ৩১৫ আইন, ২০১৩ বিধি (৯) উপবিধি (১) এর ভুল ব্যাখ্যা ও অপব্যাখ্যা দিয়ে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের নানা ধরনের হয়রানি করে আসছে। এসব হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তিনি।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদ সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল গফুর, ডিজিটাল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুস সালাম মিয়া, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মহাসচিব, মো. মাহাবুবুল আলম, মহিউদ্দিন খন্দকার, মোহাম্মদ আলী আক্কাছ প্রমুখ।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ