মায়ের কবরেই চিরনিদ্রায় শায়িত সাহারা খাতুন

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন। শনিবার বেলা পৌনে ১২টায় দ্বিতীয় দফায় জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

করোনাকালে সাহারা খাতুনকে শেষ বিদায় জানাতে সীমিত পরিসরে বনানী কবরস্থানে আসেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শনিবার বেলা ১১টার আগে বনানী কবরস্থানে জাতীয় পতাকা ও আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা মোড়ানো সাহারা খাতুনের মরদেহ আনা হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আওয়ামী লীগ, ১৪ দল, জাসদ ছাড়াও আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপতিম সংগঠন যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিক লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের তরফ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় সাহারা খাতুনের কফিনে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে মায়ের কবরে দাফন করা হয়।

আওয়ামী লীগের এ সংগ্রামী নেতাকে বিদায় জানাতে বনানী কবরস্থানে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

সাহারা খাতুনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর ফার্মগেট বায়তুশ শরফ জামে মসজিদে। সেখান থেকে বনানী কবরস্থানে দ্বিতীয় দফায় জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

সাহারা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। পরে তাকে উন্নত চিকিসার জন্য গত ৬ জুলাই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে থাইল্যান্ডের বাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাহারা খাতুন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে তার মরদেহ দেশে আনা হয়।

সাহারা খাতুন ২০০৮ সালে ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই আসনে তিনি পর পর তিন বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন হলে তিনি দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর ওই মন্ত্রীসভায় তার দপ্তর পরিবর্তন হলে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ