অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের দাফনের বিষয়ে যা জানালেন ছেলে

  © ফাইল ফটো

সদ্য প্রয়াত লেখক, গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে আগামীকাল শুক্রবার (১৫ মে)। তার পরিবারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের ছেলে আনন্দ জামান। তার মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমাগারে রাখা হয়েছে। 

অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার ছেলে আনন্দ জামান ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

দেশের খ্যাতিমান এই অধ্যাপকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ড. আনিসুজ্জামানকে চিকিৎসকরা সিসিসি (ক্রিটিকাল কেয়ার সেন্টার) এ স্থানান্তরিত করেন। সেখানে বিকালে তার মৃত্যু হয়।

রক্তে সংক্রমণের সঙ্গে পূর্বের নানা জটিলতা নিয়ে গত ২৭ এপ্রিল ৮৩ বছর বয়সী এই অধ্যাপককে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৯ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অসুস্থতার কারণে বরেণ্য এই শিক্ষাবিদ এপ্রিলের শুরুতে এক সপ্তাহের জন্য হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষক আনিসুজ্জামান, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট ডক্টরাল ফেলো এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের কমনওয়েলথ অ্যাকাডেমিক স্টাফ ফেলো।

তিনি জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও ইউনিভার্সিটি অব প্যারিস, নর্থ ক্যারালাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর ছিলেন।

শিক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ পুরস্কার একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়েছে তাকে। বাংলা শিক্ষা ও সাহিত্যে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পদ্মভূষণ পেয়েছেন এই শিক্ষাবিদ।

১৯৩৭ সালে ভারতের কলকাতায় জন্ম নেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। ১৯৪৭ এ দেশভাগের পর তার পরিবার বাংলাদেশে চলে আসে।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ