পাটের মত চামড়া নিয়েও ষড়যন্ত্র!

চামড়ার দাম কম।বহুস্থান থেকে খবর আসছে, মাদ্রাসায় দেয়া চামড়া নিয়ে এতিম ছেলেগুলো ক্রেতার হাত পায়ে ধরছেন কেনার জন্য, কিন্তু তারা কিনছেন না।এই দায় শুধু ব্যবসায়ীদের উপর দিলে চলবে না। গত ২০ বছর আগে যে দামে চামড়া কিনতো তার তিনভাগ কম দামে এখন না কেনার কারণ কি শুধু সিন্ডিকেট? সারাদেশে কাচা চামড়ার বাজার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ করার চান্স নেই।

২০ বছর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চামড়া যে দামে বিক্রি হত এখন তার থেকে ৫০ ভাগ কম দাম দিয়েও বিদেশে চামড়া রপ্তানি করা যাচ্ছে না। বায়াররা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।পাটের মত চামড়া নিয়েও ষড়যন্ত্র হয়েছে তখন আপনারা তবলা বাজাইেন।ওয়েট ব্লু বহু আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হাজারিবাগে, এরপরও আপনারা মাদল বাজিয়ে বলেছেন হাজারিবাগের ট্যানারি পরিবেশ ধ্বংস করে। গেলেন সাভারে, বানালেন ইটিপি, সেটিতো সমস্যা।পাননি আন্তর্জাতিক সনদ।

দেড় শ মত ট্যানারি ছিল, এখন চালু হইছে ১০০ নিচে। তাহলে চামড়া কই যাবে? কাচা চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেন, তাহলেইতো ল্যাটা চুকে যায়। চীনারা আর্টিফিসিয়াল চামড়া দিয়ে দুনিয়া কাপাই ফেলছে। এমনিতেই চামড়াজাত পন্যর পরিমান দুনিয়াজুড়ে কমছে।

এর বাইরে যেটা সিন্ডিকেট সেটি হলো অ্যাপেক্স, বে, বাটার মত কোম্পানিগুলো।সারা বছর চামড়া কিনবে দাম দিবে সাত মাস আট মাস পরে। বলেন এবার, কে যাবে এই বিসনেসে? এতো লাভ হলে আপনি যান।চামড়ার বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো প্ল্যান নেই। থাকলে এই সেক্টর গার্মেন্টস খাত থেকে বড় খাত হতে পারতো।

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ