মহেশখালীতে ওসি প্রদীপসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

মহেশখালীতে ওসি প্রদীপসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ
  © ফাইল ফটো

কক্সবাজারের মহেশখালীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আবদুস সাত্তার নিহতের ঘটনায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে মহেশখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন এই আদেশ দেন। নিহত আবদুস সাত্তারের স্ত্রী হামিদা আক্তার গতকাল বুধবার মহেশখালী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় প্রদীপ কুমার দাশ ছাড়াও পুলিশের আরও পাঁচ সদস্যকে আসামি করা হয়। তাঁরা হলেন মহেশখালী থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) হারুনুর রশীদ ও ইমাম হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মনিরুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম ও আজিম উদ্দিন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী শহীদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হামিদা আক্তারের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। তিন বছর আগে পুলিশের করা মামলাটি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার নিচে নয়- এমন একজন সিআইডি কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারক।’

আদালত সূত্র জানায়, হামিদা বেগমের করা রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ৭ জুন আদেশ দেন। এতে বলা হয়, হামিদা বেগম এজাহার দাখিল করলে মহেশখালী থানার ওসিকে তা তাৎক্ষণিক গ্রহণ করতে হবে। এই আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) পক্ষে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। সেই আদেশের আলোকে তিনি একই বছরের ১৭ জুলাই কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে লিখিত দরখাস্ত দেন। কিন্তু পুলিশ আবেদন আমলে নেয়নি বলে জানান হামিদা আক্তার।

আবদুস সাত্তার হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব মাঝেরপাড়ার মৃত নুরুচ্ছফার ছেলে। ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে ফেরদৌস বাহিনীর সহায়তায় হোয়ানকের লম্বাশিয়া এলাকায় আবদুস সাত্তারকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করেন বাদী হামিদা আক্তার।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে তখন দাবি করা হয়, নিহত আব্দুস সাত্তার অস্ত্র ব্যবসায়ী ছিলেন। যদিও স্ত্রী হামিদা খাতুনের ভাষ্যমতে, সাত্তার লবণচাষি ছিলেন।


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ