করোনা থেকে মুক্তি পেতে মসজিদ-বাড়িতে আজানের ধ্বনি

করোনা থেকে মুক্তি পেতে মসজিদ-বাড়িতে আজানের ধ্বনি

করোনা থেকে মুক্তি পেতে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন মসজিদে আজান দেয়া হচ্ছে। মসজিদ ছাড়াও ঘরের আঙিনাতেও অনেককে আজান দিতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহামারির সময় আজান দেয়া একটি মুস্তাহাব বিষয়। ফিকহে হানাফীর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ রদ্দুল মুখতার বা ফতোয়ায়ে শামীতে আজানদানের ১০টি মুস্তাহাব সময়ের মধ্যে মহামারির সময় আজানের কথা উল্লেখ রয়েছে। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারি থেকে রক্ষায় অন্যান্য আমলের পাশাপাশি আজান দেয়া একটি শরীয়ত সমর্থিত মুস্তাহাব আমল। এটার জন্য কোনো সময় নির্ধারিত নেই।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটা, পশ্চিম মাদারবাড়ি, মোগলটুলী, কাটা বটগাছ এলাকা, আগ্রাবাদ, হাজীপাড়া, চৌহমুনী ও কর্ণফুলীসহ বিভিন্ন এলাকায় রাতে এ ধরনের আজান শোনা গেছে। এছাড়াও কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুরেও রাত ১০টার পর থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আজান শোনা গেছে।

এ ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মুখপাত্র মোছাহেব উদ্দিন বকতিয়ার বলেন, ‘আযান দেওয়া ভালো। বলা মসিবত থেকে রক্ষার জন্য ইসলামে আজান দেওয়ার বিধান রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আজকে রাতে সব জায়গায় আজান হয়েছে আমিও শুনেছি। সেটি বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিদ্ধান্ত ছিল না। এটি ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।’

জানা গেছে, পুরো আয়োজনটিই ফেসবুকনির্ভর। অজ্ঞাত উৎস থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে এটি ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। তবে অন্য একটি সূত্র জানায়, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের কয়েকজন নেতা রাত ১০টায় একযোগে আজানের প্রস্তাব করলে ফেসবুকের মাধ্যমে এটি অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে এই আজান। তবে এতে কোনো ইসলামী দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল না।


মন্তব্য