এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে তিন তরুণের ভালোবাসা দিবস উদযাপন

  © টিডিসি ফটো

কারো কাছে বসন্ত উৎসব, আবার কারো কাছে এটি ভালোবাসা দিবস। একত্রে দুটি উৎসবে যান্ত্রিক নগরী ঢাকা যেন হয়ে উঠেছিল হলুদ-লাল, পাঞ্জাবি-শাড়ির শহর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে শুরু করে ধানমন্ডি লেক, হাতিরঝিলসহ— শহরের প্রায় সর্বত্রই পালিত হয়েছে পহেলা ফাল্গুন এবং ভ্যালেন্টাইন্স ডে। মাথায় রঙবেরঙের ফুলের খোপা, প্রিয় মানুষটির হাতে হাত কিংবা পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে আড্ডা— যে যেভাবে পেরেছেন দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার চেষ্টা করেছেন।

6

তবে যাদের কোন পরিবার নেই কিংবা নেই কোন প্রিয় মানুষ তারা কীভাবে দিনটি উদযাপন করেছেন সে খবর ক'জনই বা রেখেছেন? শুধু খোঁজ নেয়া নয় সারাদিন তাদের সাথে থেকে ভালোবাসা দিবস এবং ফাল্গুন উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন তিন তরুণ। বিশেষ এই দিনটিকে তারা স্মরণীয় করে রেখেছেন মাদ্রাসার এতিম এবং অসহায় শিক্ষার্থীদের পোলাও-রোস্ট খাইয়ে এবং তাদের সাথে আড্ডা দিয়ে।

মো. তারেক বিন হক, মো. সেলিম এবং মো. সাঈদ ইসলাম নামের তিন তরুণ বসন্ত এবং ভালোবাসা দিবসের বিশেষ দিনটি উদযাপন করেছেন উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের ১০ নম্বর সড়কে অবস্থিত আবু বক্কর সিদ্দিক (র:) মাদ্রাসার এতিম শিশুদের সাথে। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তারা এই মাদ্রাসার এতিম শিশুদের মুখে একবেলা খাবার খাইয়ে বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখেন।

5

জানতে চাইলে তারেক বিন হক দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ভালোবাসা দিবস শুধু প্রিয় মানুষের সাথেই উদযাপন করতে হবে বিষয়টি তেমন নয়। সমাজের অসহায় মানুষগুলোর সাথেও ভালোবাসা দিবসের আনন্দ ভাগ করে নেয়া যায়। আমাদের সবকিছুই আছে। কিন্তু এই মানুষগুলোর কেউ নেই তাই ভাবলাম আজকে তাদের সাথে নিয়ে দিনটি উদযাপন করি। এতিম বাচ্চাগুলোকে সময় দিতে পেরে আমাদের আত্যিক তৃপ্তি হয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন কিছু করতে চাই।

এদিকে বিশেষ দিনে এমন ভিন্নধর্মী উদ্যোগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে প্রশংসায় ভাসছেন এই তিন তরুণ। অনেকেই তাদের এমন কাজে অন্যদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। অনেকে আবার ভালোবাসা দিবসে অতিরিক্ত টাকা অন্যকোথাও খরচ না করে অসহায়দের কল্যাণে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ