করোনার প্রভাব পড়বে না বশেফমুবিপ্রবি শিক্ষাব্যবস্থায়: উপাচার্য

উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ  © ফাইল ফটো

অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় বিভাগে পাঠদানের ব্যবস্থা করায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে করোনাভাইরাসের ছুটি কোন প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেফমুবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ।

সম্প্রতি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি জানান, নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি বিভাগেই অনলাইনে পাঠদান চলছে। এটা আমাদের বড় অর্জন। ছুটির পর যাতে শুধু সেমিস্টার পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে সেজন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ফলে করোনার ছুটির প্রভাব তাদের শিক্ষাজীবনে পড়বে না।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। আর তা পূরণ করার লক্ষ্যে শিক্ষকদের অনলাইনে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনায় উৎসাহিত করা হয়েছে। আর এটি সম্ভব হয়েছে শিক্ষকদের আন্তরিকতা আর শিক্ষার্থীদের আগ্রহের ফলে।

জানা গেছে, উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদের নির্দেশে ও সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়টি অনলাইনে সিএসই, ইইই, গণিত, ম্যানেজমেন্ট, সমাজকর্ম ও ফিশারিজ এই ছয়টি বিভাগেই শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ফেসবুক গ্রুপ থেকে শুরু করে গুগল ক্লাসরুম, জুম, ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, হ্যাং–আউট নানা কিছুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন শিক্ষকেরা। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা কেমন বা কিভাবে চালাচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম, তা জানতে মুঠোফোনে ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে কথা হয় বেশ কয়েকজনের সঙ্গে।

জুম এপ্লিকেশনে ‘ফিশারিজ মাইক্রোবায়োলজি’ কোর্সটির ক্লাস নিচ্ছেন ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ আরিফুল হক (ইমন)। তিনি জানান, ‘বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। এক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন তাদের শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পাদন করতে পারে, সেজন্যই অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে।’

দেখুন: উপাচার্যের তত্ত্বাবধানে ৬ বিভাগের অনলাইন ক্লাস নিচ্ছে বশেফমুবিপ্রবি

দেখুন: বশেফমুবিপ্রবি অনলাইন ক্লাসে অংশ নিচ্ছে ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী

অনলাইনে ক্লাসের অভিজ্ঞতার বিষয়ে ফিশারিজ বিভাগে তৃতীয় বর্ষের মহিদুর রহমান জিমি বলেন, অনেকদিন আমাদের ক্লাস বন্ধ ছিল। আজকে ক্লাস করলাম। প্রথম দিকে এই অ্যাপ এ মানিয়ে নিতে সমস্যা হলেও এখন সেটা ঠিক হয়ে গেছে। আমরা সবাই ক্লাস ভাল মত বুঝতে পারছি, স্যারেরা অনেক কষ্ট করে আমাদের লেকচার দিচ্ছেন।

ইন্টারনেটের ধীরগতি কিংবা উচ্চমূল্যের কারণে ক্লাসের সঙ্গে তাল মেলাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, এমন অভিজ্ঞতার কথাও বললেন কেউ কেউ।


মন্তব্য