একাদশে ভর্তি: ভুয়া আবেদনে বিপাকে শিক্ষার্থীরা

একাদশে ভর্তি: ভুয়া আবেদনে বিপাকে শিক্ষার্থীরা
  © ফাইল ফটো

অনলাইনের মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন চলছে। আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এসএসসির ফল অনুযায়ী পছন্দের কলেজে ‘ভর্তির চয়েস’ দিয়ে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা। সেই আবেদন করতে গিয়ে এবারও বিপাকে পড়েছেন অনেক শিক্ষার্থী।

তাদের অভিযোগ, অনলাইনে পছন্দের কলেজ দিয়ে আবেদন করতে গিয়েও তারা পারছে না। বার্তা দেখাচ্ছে, আগেই আবেদনটি সম্পন্ন হয়েছে। এমনকি কোনও কলেজে আবেদন করা হয়েছে তাও জানতে পারছেন না।

শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের অভিযোগ, কেউ হয়তো তথ্য সংগ্রহ করে আবেদন করেছে। এজন্য নতুন আবেদন গৃহীত হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ভুতুড়ে আবেদন বাতিলে শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ দিচ্ছেন তারা। বোর্ড কর্র্তৃপক্ষ বলছে, আলাদা সেল খুলে এ-সংক্রান্ত অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে। জড়িতদের পরিচয় পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত রবিবার আবেদন কার্যক্রম শুরুর পর থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিনে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ভুয়া আবেদন বাতিলে এক হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। প্রত্যেক দিন অভিযোগ দিতে ভিড় বাড়ছে। এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে নতুন করে আবেদনের সুযোগ দিচ্ছে কর্র্তৃপক্ষ।

বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষার্থী না পাওয়ার আশঙ্কা থেকে হয়তো কোনো কোনো কলেজ যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে নিজেরা নিজেদের কলেজ ‘পছন্দ’ দিয়ে আবেদন করেছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী আবেদন করতে গেলে তা গৃহীত হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবারও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে কয়েকশ শিক্ষার্থী-অভিভাবক অভিযোগ দিতে ভিড় করেন। এদের অনেকে ঢাকার বাইরে থেকে এসেছেন। তারা জানান, একাদশে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ায় সার্ভার সমস্যা, ফিরতি খুদেবার্তা না আসাসহ নানা ভোগান্তি হচ্ছে। এর সঙ্গে জুটেছে ভুয়া আবেদন।

মাদারীপুর থেকে আসা জহির আসলাম বলেন, কারা যেন আগেই আমার ছেলের নামে আবেদন করেছে। চেষ্টা করেও না পেরে বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিলাম। কর্মকর্তারা আগের আবেদন বাতিলের আশ্বাস দিয়েছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, প্রতি বছরই কিছু ভুয়া আবেদন পড়ে। এটা সাধারণত কলেজ কর্র্তৃপক্ষ করে থাকে। একই কলেজে একাধিক ভুয়া আবেদন পেলে তা আমলে নিয়ে কলেজ কর্র্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য