২৬ মার্চ ২০২০, ০৮:৫০

প্রথমে সুরক্ষা পোশাক ছাড়াই চিকিৎসার নির্দেশ, পরে স্থগিত

  © ফাইল ফটো

ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক (পিপিই) না থাকলেও করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) উপসর্গ নিয়ে কোনো রোগী আসলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে জারি করা নির্দেশ স্থগিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) আমিনুল হাসান স্বাক্ষরিত এই নির্দেশ জারির পর চিকিৎসকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেয়।

নির্দেশিকায় বলা হয়, ‌যদি কোনো রোগীর কোভিড-১৯–এর লক্ষণ থাকে, তবে প্রথম চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেবেন এবং প্রয়োজনে পিপিই পরিধানকৃত দ্বিতীয় চিকিৎসকের কাছে প্রেরণ করবেন এবং তিনি পিপিই পরিহিত অবস্থায় রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করিবেন।

আদেশে আরও বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি সকল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসক কোনো রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদানে অস্বীকৃতি জানাতে পারবেন না।

কিন্তু এতে প্রথম চিকিৎসকের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় আশঙ্কায় ব্যাপক সমালোচনা ওঠে। চিকিৎসকদের কেউ কেউ এ নিয়ে আপত্তি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় ওই নির্দেশনা স্থগিত করা হয়।

পিপিই হলো সংক্রমণ থেকে মুক্ত থেকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্দেশিত পোশাক নীতিমালা। এর আওতায় রয়েছে মেডিকেল মাস্ক, গাউন, গগলস, ফেস শিল্ড, হেভি ডিউটি গ্লাভস ও বুট।

পিপিই ছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালের এক চিকিৎসকের মধ্যেও রোগ সংক্রমিত হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে ওই হাসপাতালের কয়েকজন নার্স, চিকিৎসকসহ কয়েকজন কর্মীকে।