কন্যাসন্তানের বাবা হলেন ভিপি নুর

  © সংগৃহীত

বাবা হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর। ২১ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ফুটফুটে এক কন্যাসন্তান জন্ম দিয়েছেন নুরের স্ত্রী মারিয়া আক্তার লুনা। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বাবু মুন্সি। তিনি জানান, ভিপি নুর বাবা হয়েছেন। এটি গ্রামবাসী সবাই বিষয়টি জানে।

তবে বাবা হওয়ার বিষয়টি আড়াল করতে চাইছেন ভিপি নুর ও তার পরিবার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি নুরের ইমেজের কথা বিবেচনায় নিয়ে তারা এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাইছেন না। তাই এতদিন বিষয়টি অনেকটা আড়ালেই ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে চরবিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাতেম মাস্টারের মেয়ে মারিয়া আক্তার লুনাকে বিয়ে করেন নুর। নুরের স্ত্রী লুনা গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হলে পটুয়াখালী চলে যান লুনা। বর্তমানে জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নুর যখন ডাকসু ভিপি পদে নির্বাচন করেন তখন লুনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। কিছু দিন আগে নুর ও তার স্ত্রী-সন্তানের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে দেখা যায় ভিপি নুরের পাশে শিশু কোলে নিয়ে এক নারী দাঁড়িয়ে আছেন। ওই নারী ভিপি নুরের স্ত্রী এবং কোলে থাকা শিশুটি নুরের সন্তান বলে জানা যায়। পরে ভিপি নুরের গ্রামে তার প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে তার বাবা হওয়ার খবর জানা গেছে।

এ বিষয়ে নুরের শ্বশুর ও চরবিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাতেম মাস্টার বলেন, নাতি হয়েছে তা জানা কি খুব দরকার? কারও ব্যক্তিগত বিষয় ঘাটাঘাটি না করাই ভালো।

সন্তানের কথা জানতে চাইলে ভিপি নুরের স্ত্রী মারিয়া আক্তার লুনা গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের সন্তান হয়েছে কি হয়নি তা ব্যক্তিগত বিষয়। বিষয়টি জানাতে আমি আগ্রহী না। এ বিষয় নিয়ে আমি সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে চাই না।

বাবা হওয়ার বিষয়ে জানতে ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, পরীক্ষা নিয়ে আমি অনেক ব্যস্ত সময় পার করছি। তখন তার কাছে ২ মিনিট সময় চাইলে তিনি বলেন কি বিষয়ে জানতে চান। তখন বাবা হওয়ার কথা তুলতেই তিনি ফোনের লাইনটি কেটে দেন। এরপর তার সাথে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ