মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

  © সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তুর্যে’র নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে চাষাড়া শহীদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বের করা মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি সৈয়দ রনি আলমের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন মহানগর শাখার সভাপতি সৈকত বাপ্পি।

এছাড়া মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সুমন ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নারায়ণগঞ্জ মহানগর নেতা গোলাম হায়দার সজীবের সঞ্চালনায় কর্মসূচীতে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান নান্নু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শেখ রায়হান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউদ্দিন আহমেদ জিকু, সাবেক কর্ম ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান শান্ত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তুর্যে’র নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেন, কয়েকদিন যাবৎ বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংগ্রম পরিষদ নামের একটি সংগঠন ও তার নেতা নুরুল হক নুর বহিরাগত কিছু ছেলেদের নিয়ে এসে ঢাবির পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা দেশ বিরোধী, সরকার বিরোধী বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছিল।

তারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ তার প্রতিবাদে মানববনন্ধ করলে নূর ও তার শিবির বাহিনী হামলা করে।এতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ৩ জন সদস্য আহত হয়। এ বিষয়ে শাহাবাগ থানায় মামলা করতে গেলে নুর ও তার বাহিনী আবার তাদের উপর চড়াও হয়।

তারা আরো বলেন, বহিরাগতদের নিয়ে তারা ডাকসুর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। এর প্রতিবাদে ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নুরুল হক নুর ও তার সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। যার সম্পূর্ণ দায়ভার বিনাবিচারে দেয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতৃবৃন্দের উপর।

বক্তারা আরো বলেন, ‘নুর যখন রাজপথে কোনো অবস্থান করতে পারেনি, তখন সে পরশু’র ঘটনাটিকে একটি নাটকীয় রূপ দিয়ে সিম্প্যাথি সিক করতে এবং নিজেকে হাইলাইট করার জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের উপর চাপিয়ে দেয়। এ ঘটনায় কোনো তদন্ত ছাড়াই আল মামুন ও ইয়াসির আরাফাত তুর্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের মুক্তি দাবি করেন বক্তারা।


সর্বশেষ সংবাদ